সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় হরিণ শিকার ও বন্যপ্রাণীর বিভিন্ন অঙ্গ পাচার অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করেছে সুন্দরবন ও বাংলাদেশ উপকূলীয় সুরক্ষা আন্দোলন। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, এলাকায় ১৫০টিরও বেশি শিকারি দল সক্রিয় রয়েছে।
খুলনার কয়রা, দাকোপ ও পাইকগাছা, সাতক্ষীরার শ্যামনগর এবং বাগেরহাটের মোংলা ও শরণখোলায় হরিণ শিকারের প্রবণতা বেশি বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। শিকারিরা ফাঁদ পেতে হরিণ ধরে বনের ভেতরেই জবাই করে মাংস লোকালয়ে বিক্রি করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সুন্দরবনের আশপাশে প্রতি কেজি হরিণের মাংস ৭০০–৮০০ টাকায় বিক্রি হয়। জেলা শহরে এই দাম বেড়ে ১,২০০–২,০০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছায়। একটি জীবিত হরিণের দাম ১৫,০০০–২০,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
তবে বন বিভাগের দাবি, সমন্বিত অভিযান জোরদার হওয়ায় হরিণ শিকার আগের তুলনায় কমেছে। ২০২৩ সালের আইইউসিএন জরিপ অনুযায়ী, সুন্দরবনে আনুমানিক ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪টি হরিণ রয়েছে।