সিলেটে ট্রিপল মার্ডার: থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের, নেপথ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধের দাবি পরিবারের

থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের

সিলেটের রায়নগর মিতালি এলাকায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় অবশেষে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে নিহতদের পরিবার। মর্মান্তিক এই জোড়া-খুনের ঘটনার প্রায় ৬০ ঘণ্টা পর শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে সিলেটের কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দেন নিহত আব্দুস সাত্তারের মেয়ে সেলিনা সুলতানা। পুলিশ লিখিত অভিযোগটি পর্যালোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ ও বিরোধের বিবরণ

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, সিলেটের রিকাবীবাজার এলাকায় পুলিশ লাইনস লুসাই গির্জা সমিতির ১২ শতক জমি নিয়ে ইম্পালস বিল্ডার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলামের সাথে নিহত আব্দুস সাত্তারের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এই বিরোধের জের ধরে সিরাজুল ইসলাম ইতিপূর্বে আব্দুস সাত্তারকে একাধিকবার হত্যার হুমকি দেন এবং তার বিরুদ্ধে থাকা মামলা প্রত্যাহারের জন্য নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন।

দলিল লুট ও ভাড়াটে খুনি ব্যবহারের অভিযোগ

নিহতের পরিবারের দাবি, বিরোধপূর্ণ জমির মূল দলিলপত্র লুট করার উদ্দেশ্যেই পেশাদার ভাড়াটিয়া খুনিদের ব্যবহার করা হয়েছে। সুপরিকল্পিত এই হামলায় আব্দুস সাত্তার, তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম এবং গৃহকর্মী তাহমিনাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। পুলিশ এখন এই অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করেছে।

 

 FAQs

Q1: সিলেটের ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় কে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন?

Ans: নিহত আব্দুস সাত্তারের মেয়ে সেলিনা সুলতানা ঘটনার প্রায় ৬০ ঘণ্টা পর সিলেটের কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

Q2: হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে বলে নিহতদের পরিবার দাবি করেছে?

Ans: সিলেটের রিকাবীবাজার এলাকার ১২ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ এবং জমির দলিল লুট করার উদ্দেশ্যে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে পরিবার দাবি করেছে।

Q3: এই ট্রিপল মার্ডারে কারা প্রাণ হারিয়েছেন?

Ans: হত্যাকাণ্ডে আব্দুস সাত্তার, তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম এবং তাদের গৃহকর্মী তাহমিনা—এই ৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

Follow for more