মিশিগান রাজ্যের বেশ কয়েকটি কোম্পানি সাম্প্রতিক সময়ে কর্মী ছাঁটাইয়ের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইকে দায়ী করেছে। গ্র্যান্ড র্যাপিডসের ফিনটেক ও ইনস্যুরেন্স কোম্পানি Acrisure প্রায় ২,২৫০টি চাকরি কাটার ঘোষণা দিয়েছে, যা তাদের মোট কর্মীর প্রায় ১১ শতাংশ। জেনারেল মোটরস (জিএম) আইটি বিভাগে শতাধিক পদ কমাচ্ছে এবং ভবিষ্যতের এআই দক্ষতার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। মিডিয়া কোম্পানি E.W. Scripps-ও এআই ও ডিজিটাল টুলসের কথা উল্লেখ করে চাকরি কমানোর কথা জানিয়েছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাস্তবতা এত সহজ নয়। অনেক ক্ষেত্রে এআইকে “অজুহাত” হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা “এআই ওয়াশিং” নামে পরিচিত। বিক্রয় কমে যাওয়া, ব্যবসায়িক কৌশল পরিবর্তন, আগের অতিরিক্ত নিয়োগ সংশোধন বা আউটসোর্সিংয়ের মতো পুরনো কারণগুলোই মূল চালিকাশক্তি হতে পারে। ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের অধ্যাপক নাইজেল মেলভিল বলেন, অনেক সময় অন্যান্য স্পষ্ট কারণ থাকলেও শুধু এআই-এর কথা প্রচার করা হয়।
বর্তমান এআই প্রযুক্তি কিছু কাজের অংশ প্রতিস্থাপন করতে পারে, কিন্তু পুরো চাকরি ব্যাপকভাবে নেওয়ার মতো প্রস্তুত নয়। বিশ্লেষকরা মনে করেন, কোম্পানিগুলো ভবিষ্যতের প্রস্তুতি হিসেবে এখনই কাটছাঁট করছে অথবা বিনিয়োগকারীদের কাছে ইতিবাচক গল্প তুলে ধরতে এআইকে ব্যবহার করছে। জাতীয় পর্যায়েও এআইকে চাকরি কাটার প্রধান কারণ হিসেবে দেখানো হচ্ছে, কিন্তু প্রকৃত প্রভাব এখনো সীমিত।
FAQs
Q1: মিশিগানের কোন কোম্পানিগুলো এআই-এর কথা বলেছে?
Ans: Acrisure, জেনারেল মোটরস এবং E.W. Scripps-সহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান চাকরি কাটার কারণ হিসেবে এআই উল্লেখ করেছে।
Q2: “এআই ওয়াশিং” কী?
Ans: কোম্পানিগুলো আসল কারণ (খরচ কমানো, অতিরিক্ত নিয়োগ ইত্যাদি) লুকিয়ে এআইকে দায়ী করার প্রবণতা।
Q3: এআই কি সত্যিই ব্যাপক চাকরি কাটছে?
Ans: এখনো পুরোপুরি নয়। কিছু কাজের অংশ প্রভাবিত হচ্ছে, কিন্তু ব্যাপক প্রতিস্থাপন এখনো ঘটেনি বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।