সাইবার হামলা, ড্রোন প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক নিরাপত্তাসহ নতুন ধরনের বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলায় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে মহিলা আসন-২-এর সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশীয়ভাবে ড্রোন উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের জন্য পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সমুদ্রে নজরদারি ও পরিস্থিতিগত সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণের বিষয়েও সংসদে বিস্তারিত জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সময়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তায় সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হয়।
এ ছাড়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘Instructions Regarding In Aid to the Civil’-এর আওতায় বিভিন্ন দুর্যোগ ও সংকটকালীন সময়ে অসামরিক প্রশাসনকে সশস্ত্র বাহিনী সহায়তা করে থাকে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, Code of Criminal Procedure, 1898-এর ১২৯ ধারার আওতায় আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারে সশস্ত্র বাহিনীকে প্রয়োজনীয় আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়।
সরকারের এসব উদ্যোগের মাধ্যমে প্রচলিত সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা, ড্রোন প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক নিরাপত্তার মতো উদীয়মান ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।