### অনুচ্ছেদ ১ (ভূমিকা)
বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য উন্মোচিত হচ্ছে রাশিয়ার বিশাল শ্রমবাজার। আগামী এক বছরের মধ্যে রাশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মসংস্থানের সংখ্যা বাড়িয়ে প্রায় ১ লাখে উন্নীত করতে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে দেশটির সরকার। মস্কো সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের দেওয়া একটি প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে রাশিয়া এই ইতিবাচক সাড়া দেয়। বর্তমানে রাশিয়ায় প্রায় ১০,০০০ বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন, যাদের একটি বড় অংশ জাহাজ নির্মাণ (শিপবিল্ডিং) খাতের সাথে যুক্ত।
### অনুচ্ছেদ ২ (বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি)
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরে কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়েও ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ বিশেষ করে তৈরি পোশাক (RMG) এবং ওষুধজাত পণ্য (ফার্মাসিউটিক্যালস) রাশিয়ায় রপ্তানি বাড়ানোর সম্ভাবনার ওপর জোর দিয়েছে। অন্যদিকে, খুব শীঘ্রই রাশিয়ায় বাংলাদেশের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সফরের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে মস্কো কর্তৃপক্ষ।
### অনুচ্ছেদ ৩ (প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও অন্যান্য সমঝোতা)
কর্মী নিয়োগ এবং বাণিজ্যের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), কৃষি এবং স্বাস্থ্যসেবার মতো উদীয়মান ক্ষেত্রগুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে দুই পক্ষ আলোচনা করেছে। এছাড়া, ঝুলে থাকা শ্রম ও রিঅ্যাডমিশন (পুনঃপ্রবেশ) চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়ে উভয় দেশ একমত হয়েছে। একই সাথে রাশিয়ায় আটকে পড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার (প্রত্যাবাসন) বিষয়টিও এই বৈঠকে গুরুত্বের সাথে আলোচনা করা হয়।
—
## FAQs
Q1: রাশিয়া আগামী এক বছরে কতজন বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার পরিকল্পনা করছে? Ans: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া প্রস্তাবের ভিত্তিতে রাশিয়া আগামী এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা বাড়িয়ে প্রায় ১ লাখে উন্নীত করতে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে।
Q2: বর্তমানে রাশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশিরা মূলত কোন খাতে কাজ করছেন?Ans: বর্তমানে রাশিয়ায় প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী কাজ করছেন, যাদের বেশিরভাগই দেশটির জাহাজ নির্মাণ (শিপবিল্ডিং) শিল্পে নিয়োজিত রয়েছেন।
Q3: কর্মী নিয়োগ ছাড়া আর কোন কোন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে? Ans: তৈরি পোশাক ও ওষুধ রপ্তানি বৃদ্ধি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা এবং রাশিয়ায় আটকে পড়া বাংলাদেশিদের প্রত্যাবাসন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।