রমজানের আগে সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব

রমজানকে সামনে রেখে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধি এবং পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়াকে এর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তাঁরা। তবে সরকার এখনো এই প্রস্তাব অনুমোদন করেনি।
২৮ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, রমজানকেন্দ্রিক নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি, সরবরাহব্যবস্থা ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় সোমবার বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সয়াবিন তেলের দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব উত্থাপন করেন ব্যবসায়ীরা।
গত ২ সেপ্টেম্বর বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এবার ব্যবসায়ীদের নতুন প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বেড়ে ২১৮ টাকা হতে পারে। তবে এটি প্রস্তাবিত দাম, বর্তমান সরকারি নির্ধারিত দাম নয়।
অন্যদিকে, রমজানে খেজুরের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে আমদানিকারকেরা বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ও কর কমানোর দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, উচ্চ কর, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং আমদানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন জটিলতা খেজুরের দাম বাড়িয়ে দিতে পারে। এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
তবে বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আপাতত ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। সরকার রমজানের আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করে বাজার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে।
রমজানে খাদ্যপণ্যের চাহিদা বাড়ায় দাম ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে রাখা গুরুত্বপূর্ণ। সয়াবিন তেলের দাম বাড়লে পরিবারের দৈনন্দিন ব্যয়ও বেড়ে যেতে পারে। তাই ব্যবসায়ীদের প্রস্তাবের বিষয়ে সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে নজর রাখছেন ভোক্তারা।

Follow for more