ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০,৫০০-এর বেশি নিরাপদ প্রসব করিয়ে আস্থার প্রতীক দুই স্বাস্থ্যকর্মী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাতৃসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন দুই নিবেদিতপ্রাণ স্বাস্থ্যকর্মী নাজমা আক্তার ও শিরিনা চৌধুরী। বছরের পর বছর ধরে গর্ভবতী মায়েদের পাশে থেকে তারা ১০,৫০০-এর বেশি শিশুর নিরাপদ জন্মে সহায়তা করেছেন। তাদের আন্তরিকতা, অভিজ্ঞতা ও জরুরি সময়ে দ্রুত সাড়া দেওয়ার মানসিকতা জেলার বহু পরিবারের কাছে তাদের আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে।

বিশেষ করে স্বাভাবিক প্রসবের ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। অনেক সময় রাতের গভীরে প্রসববেদনা শুরু হলে পরিবারের সদস্যরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সময়-অসময়ের কথা না ভেবে তারা ছুটে যান মায়ের পাশে। নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সহায়তার পাশাপাশি তারা গর্ভবতী নারী ও পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শও দিয়ে থাকেন।

তাদের দীর্ঘদিনের সেবার ফলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন এলাকার মায়েদের মধ্যে তৈরি হয়েছে গভীর আস্থা। একজন স্বাস্থ্যকর্মীর জন্য শুধু চিকিৎসাসেবা দেওয়া নয়, প্রসবের মতো সংবেদনশীল সময়ে একজন মায়ের ভয় ও উদ্বেগ কমিয়ে আত্মবিশ্বাস জোগানোও গুরুত্বপূর্ণ। নাজমা ও শিরিনের কাজ সেই মানবিক দায়িত্বেরই প্রতিফলন।

বাংলাদেশে মাতৃ ও নবজাতকস্বাস্থ্য সেবার ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যন্ত ও স্থানীয় পর্যায়ে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করা নাজমা আক্তার ও শিরিনা চৌধুরীর মতো কর্মীরা নিরাপদ মাতৃত্বের বার্তা মানুষের আরও কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। তাদের দীর্ঘ সেবাযাত্রা প্রমাণ করে, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ দিয়ে স্বাস্থ্যসেবায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব। 

 

FAQs

Q1.নাজমা আক্তার ও শিরিনা চৌধুরী কতটি প্রসবে সহায়তা করেছেন?
ANS: তারা সম্মিলিতভাবে ১০,৫০০-এর বেশি শিশুর নিরাপদ জন্মে সহায়তা করেছেন।

Q2.তারা কী ধরনের প্রসবে বেশি সহায়তা করেন?
ANS: তারা বিশেষভাবে স্বাভাবিক প্রসবে গর্ভবতী মায়েদের সহায়তা করে থাকেন।

Q3.কেন তারা স্থানীয় মায়েদের কাছে এতটা জনপ্রিয়?
ANS: প্রয়োজনের সময়, এমনকি গভীর রাতেও দ্রুত ছুটে গিয়ে সেবা দেওয়ার কারণে তাদের ওপর স্থানীয় মানুষের আস্থা তৈরি হয়েছে।

follow for more