তিস্তার বালুচরে আগাম তরমুজ চাষে কৃষকের স্বপ্নপূরণ

তিস্তা নদীর বালুচরে আগাম তরমুজ চাষ করে নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা। আগে যেখানে এই বালুচর জমি অনাবাদি পড়ে থাকত, এখন সেখানে সবুজের সমারোহ—লাল টসটসে তরমুজে ভরে উঠছে মাঠ। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই আগাম তরমুজ চাষ।
স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, বালুময় জমিতে তরমুজের ফলন ভালো হচ্ছে এবং বাজারে আগাম ওঠায় দামও মিলছে বেশি। ফলে অল্প সময়েই ভালো মুনাফা পাচ্ছেন তারা। কৃষি কর্মকর্তারাও বলছেন, সঠিক পরিচর্যা ও আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে বালুচর এলাকাও হতে পারে লাভজনক কৃষিভূমি।
কেন সফল হচ্ছে এই চাষ
বালুময় জমি তরমুজের জন্য উপযোগী
আগাম উৎপাদনে বাজারদর বেশি
তুলনামূলক কম খরচে চাষ সম্ভব
অল্প সময়ে ভালো ফলন পাওয়া যায়
কৃষকদের জন্য সম্ভাবনা
বিশেষজ্ঞদের মতে, তিস্তার বালুচরসহ দেশের বিভিন্ন চরাঞ্চলে পরিকল্পিতভাবে আগাম তরমুজ চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে কৃষকদের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। এতে অনাবাদি জমির ব্যবহারও বাড়বে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি আসবে।
উপসংহার
তিস্তার বালুচরে আগাম তরমুজ চাষ শুধু কৃষকদের মুখে হাসিই ফোটাচ্ছে না, বরং দেশের চরাঞ্চল কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিচ্ছে। সঠিক সহায়তা ও বাজার ব্যবস্থাপনা থাকলে এই উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

FAQs

প্রশ্ন: বালুচরে তরমুজ চাষ কেন লাভজনক?

উত্তর: বালুময় জমি তরমুজের জন্য উপযোগী এবং আগাম বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় লাভ বেশি হয়।

প্রশ্ন: আগাম তরমুজ চাষে কত সময়ে ফলন পাওয়া যায়?

উত্তর: সাধারণত ৭০–৯০ দিনের মধ্যেই তরমুজ সংগ্রহ করা সম্ভব।

প্রশ্ন: এই চাষ কোথায় বেশি উপযোগী?

উত্তর: নদীর চর ও বালুময় জমি আগাম তরমুজ চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।

Follow for more