বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা শিক্ষায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন যুক্ত হলো। অন্তর্বর্তী সরকার সম্প্রতি একটি নতুন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে। ময়মনসিংহে স্থাপিত হতে যাওয়া এই মেডিকেল কলেজটি দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা খাতকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন থেকে জানা যায়, অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে এখানে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করার অনুমোদন দেওয়া হবে। অর্থাৎ, প্রয়োজনীয় ভবন, ল্যাব, হাসপাতাল সুবিধা এবং জনবল প্রস্তুত হলেই শিক্ষার্থীদের জন্য মেডিকেল শিক্ষা কার্যক্রম চালু হবে।
বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা ৩৭টি। নতুন এই সংযোজন চিকিৎসা শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও বিস্তৃত করতে সহায়ক হবে। বিশেষ করে মফস্বল ও বিভাগীয় শহরগুলোতে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের মাধ্যমে চিকিৎসক সংকট মোকাবিলায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এই উদ্যোগ।
এর আগেও গত বছরের ১১ নভেম্বর একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজকে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর অনুমোদন দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। সেটি ছিল ঢাকার জুরাইনের ব্যারিস্টার রফিকুল হক মেডিকেল কলেজ। ধারাবাহিকভাবে নতুন মেডিকেল কলেজ অনুমোদনের এই সিদ্ধান্ত সরকার의 স্বাস্থ্যখাত উন্নয়নের প্রতি গুরুত্বেরই প্রতিফলন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন মেডিকেল কলেজ স্থাপনের মাধ্যমে শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য আসন বাড়বে না, বরং সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একইসঙ্গে স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সঠিক পরিকল্পনা ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে এই নতুন মেডিকেল কলেজ ভবিষ্যতে দক্ষ ও মানবিক চিকিৎসক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Frequently Asked Questions (FAQ)
১. নতুন মেডিকেল কলেজটি কোথায় স্থাপন করা হবে?
ময়মনসিংহে নতুন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালটি স্থাপন করা হবে।
২. কবে থেকে শিক্ষাক্রম শুরু হবে?
অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্পন্ন হওয়ার পর একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হবে।
৩. বর্তমানে দেশে কয়টি সরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে?
বর্তমানে দেশে সরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা ৩৭টি।
৪. এটি সরকারি না বেসরকারি মেডিকেল কলেজ?
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এটি সরকারের অনুমোদিত একটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।
৫. নতুন মেডিকেল কলেজ স্থাপনের মূল উদ্দেশ্য কী?
চিকিৎসা শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন।
Follow for More