অন্যের খাওয়ার শব্দে অস্বস্তি? জেনে নিন মিসোফোনিয়া সম্পর্কে

যেকোনো শব্দের প্রতি কেউ কেউ অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে থাকেন। এ সমস্যার নাম হাইপারঅ্যাকিউসিস। তবে আবার এমনও অনেকে আছেন, যাঁদের সমস্যা হয় কেবল নির্দিষ্ট কিছু শব্দে। এই দুটি বিষয় এক নয়।

অন্যের খাওয়ার শব্দ, গলা খাঁকারি দেওয়ার শব্দ, হাঁচি–কাশির শব্দ কিংবা এমনকি শ্বাসপ্রশ্বাসের মতো খুঁটিনাটি শব্দে যাঁরা তীব্র অস্বস্তিতে পড়েন, তাঁদের সমস্যার নাম মিসোফোনিয়া।

স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেডের মেডিসিন বিভাগের অ্যাসোসিয়েট কনসালট্যান্ট ডা. তাসনোভা মাহিন–এর সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে লিখেছেন রাফিয়া আলম।

মিসোফোনিয়া বলতে বোঝায়—নির্দিষ্ট কিছু সাধারণ শব্দ শুনলে তীব্র বিরক্তি, রাগ, ভয় বা অস্থিরতা অনুভব করা। যেমন—খাবার চিবানোর শব্দ, কিবোর্ডের শব্দ, ধাতব কিছু ঘষার শব্দ বা গলার ভেতরের শব্দ।

গবেষণায় দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে মিসোফোনিয়ায় ভোগেন। এটি কানের সমস্যা নয়; বরং মস্তিষ্ক ও মানসিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত।

এই সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে—

• রাগ বা বিরক্তি

• আতঙ্ক বা ভয়

• জায়গা ছেড়ে চলে যাওয়ার প্রবণতা

দেখা দিতে পারে।

ফলে অনেকেই নির্দিষ্ট শব্দ এড়িয়ে চলতে সামাজিক পরিস্থিতি থেকেও নিজেকে গুটিয়ে নেন—যেমন, অন্যদের সঙ্গে বসে খেতে না চাওয়া।

 

3️⃣ FAQ

প্রশ্ন: মিসোফোনিয়া কি মানসিক রোগ?

উত্তর: এটি সরাসরি মানসিক রোগ নয়, তবে মানসিক প্রতিক্রিয়ার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।

প্রশ্ন: সব শব্দেই কি সমস্যা হয়?

উত্তর: না, সাধারণত নির্দিষ্ট কিছু শব্দেই সমস্যা হয়।

প্রশ্ন: শব্দ বেশি জোরে হলে কি সমস্যা বাড়ে?

উত্তর: না, শব্দের জোর নয়—শব্দের ধরনই এখানে মূল বিষয়।

 

4️⃣ Follow for More

📌 স্বাস্থ্য ও মানসিক সুস্থতা বিষয়ক এমন আরও লেখা পেতে ফলো করুন।