একুশে পদক বাংলাদেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা, যা ভাষা আন্দোলনের চেতনা ও জাতীয় সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিবছর প্রদান করা হয়। ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিকে ধারণ করে এই পুরস্কার প্রবর্তিত হয় এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানিত করা হয়।
একুশে পদক ২০২৬ সালে সংগীত, চলচ্চিত্র, সাংবাদিকতা, স্থাপত্য, নাট্যকলা, চারুকলা, নৃত্য, ভাষা, শিক্ষা ও স্বাধীনতা সংগ্রামসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুণী ব্যক্তিত্বদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এই সম্মাননা শুধু ব্যক্তিগত অর্জনের স্বীকৃতি নয়; বরং এটি দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সৃজনশীল অগ্রগতির প্রতীক।
সরকার প্রতিবছর জাতীয় পর্যায়ে আনুষ্ঠানিকভাবে একুশে পদক প্রদান করে থাকে, যেখানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকেন। এটি দেশের সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
একুশে পদক ২০২৬ প্রাপ্তদের তালিকা:
১. সংগীত – আইয়ুব বাচ্চু
২. চলচ্চিত্র – ফারিদা আক্তার ববিতা
৩. সাংবাদিকতা – শফিক রেহমান
৪. স্থাপত্য – মরিনা তাবাসসুম
৫. নাট্যকলা – ইসমাইল উদ্দিন পালাকার
৬. চারুকলা – প্রফেসর মো. আবদুস সাত্তার
৭. নৃত্য – আর্থ আহমেদ
৮. ভাষা – ভেজস হালদার বসু
৯. শিক্ষা – ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার
১০. স্বাধীনতা সংগ্রাম – ওয়ারফেইজ
একুশে পদক দেশের গুণীজনদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করে এবং নতুন প্রজন্মকে দেশ ও সংস্কৃতির জন্য কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে। এটি আমাদের জাতীয় গৌরব ও আত্মপরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
FAQ (প্রায়শই জিজ্ঞেস করা কিছু প্রশ্ন)
প্রশ্ন ১: একুশে পদক কী?
উত্তর: একুশে পদক হলো বাংলাদেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য প্রদান করা হয়।
প্রশ্ন ২: একুশে পদক কোন কোন ক্ষেত্রে দেওয়া হয়?
উত্তর: সংগীত, সাহিত্য, চলচ্চিত্র, সাংবাদিকতা, শিক্ষা, স্থাপত্য, চারুকলা, ভাষা, গবেষণা ও স্বাধীনতা সংগ্রামসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে।
প্রশ্ন ৩: একুশে পদক কবে প্রদান করা হয়?
উত্তর: সাধারণত ২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস উপলক্ষে এই পদক প্রদান করা হয়।
Follow for More
জাতীয় পুরস্কার, সংস্কৃতি ও ইতিহাস বিষয়ক আরও আপডেট পেতে আমাদের পেজটি ফলো করুন। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট।