কার্বন-ধরার কংক্রিট: নির্মাণেই কমবে CO₂, মিলতে পারে কার্বন-নেগেটিভ ভবিষ্যৎ

নির্মাণ খাতে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে নতুন প্রজন্মের Carbon-Capturing Concrete। এই বিশেষ কংক্রিট শুকানোর (curing) সময় বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂) শোষণ করে, ফলে এটি শুধু কম নিঃসরণই নয়—বরং সম্ভাব্যভাবে কার্বন-নেগেটিভ উপাদান হিসেবে কাজ করতে পারে।

 

সাধারণভাবে সিমেন্ট উৎপাদন বিশ্বব্যাপী CO₂ নিঃসরণের একটি বড় উৎস। নতুন এই ফর্মুলায় কংক্রিটের রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় CO₂ যুক্ত করে শক্তি ও স্থায়িত্ব বজায় রাখা হয়। ফলে নির্মাণের সময় নির্গত কার্বন আংশিকভাবে পুনরায় শোষিত হয়।

 

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যে বাণিজ্যিকভাবে এ ধরনের সমাধান নিয়ে কাজ করছে। উদাহরণ হিসেবে CarbonCure Technologies কংক্রিটে রিসাইকেলড CO₂ ইনজেক্ট করে শক্ত কাঠামো তৈরির প্রযুক্তি উন্নয়ন করেছে। এছাড়া Heidelberg Materials কার্বন-হ্রাসকৃত সিমেন্ট ও নির্মাণ উপাদান নিয়ে কাজ করছে।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, শহরায়ন দ্রুত বাড়তে থাকায় টেকসই নির্মাণ উপাদান অত্যন্ত জরুরি। কার্বন-ধরার কংক্রিট ভবন, সেতু ও অবকাঠামো নির্মাণে ব্যবহৃত হলে দীর্ঘমেয়াদে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

 

এটি শুধু পরিবেশগত সুবিধাই দেবে না সরকারি কার্বন ক্রেডিট ও সবুজ বিনিয়োগের সুযোগও বাড়াতে পারে। ভবিষ্যতে বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্পে এই প্রযুক্তি মানদণ্ড হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

FAQs:

 

Q1: Carbon-Capturing Concrete কী?

এটি এমন কংক্রিট যা শুকানোর সময় বাতাস থেকে CO₂ শোষণ করে।

 

Q2: এটি কীভাবে কার্বন-নেগেটিভ হতে পারে?

যদি শোষিত CO₂ উৎপাদনকালে নির্গত CO₂–এর চেয়ে বেশি হয়।

 

Q3: কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

সিমেন্ট শিল্প বৈশ্বিক CO₂ নিঃসরণের বড় উৎস—এটি সেই প্রভাব কমাতে সহায়ক।

 

Q4: ভবিষ্যতে কোথায় ব্যবহার হবে?

ভবন, সেতু, রাস্তা ও বড় অবকাঠামো প্রকল্পে।

 

এমন আরও সবুজ প্রযুক্তি ও

Technological Innovation আপডেট পেতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

 

Follow for more.