যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে দাপুটে জয়, বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে সুপার সিক্স নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। শক্ত বোলিংয়ের পর সহজ ব্যাটিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে যুবারা।

প্রথমে ব্যাট করে যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯ রান তোলে। তবে বাংলাদেশ বোলাররা শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণ নেয়। এরপর লক্ষ্য তাড়ায় বাংলাদেশ দ্রুত জয় পায়। ফলে ৫১ বল হাতে রেখেই ম্যাচ শেষ হয়।

টসের সিদ্ধান্তে সুফল

প্রথমে টস জিতে ফিল্ডিং নেন অধিনায়ক আজিজুল হাকিম। শুরুতেই সেই সিদ্ধান্ত কাজে আসে। কারণ দলীয় ১ রানেই ওপেনার অমরিন্দর গিল আউট হন।

এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই ফিরেন অর্জুন মহেশ। ফলে মাত্র ৬ রানেই ২ উইকেট হারায় যুক্তরাষ্ট্র। তাই শুরুতেই চাপে পড়ে দলটি।

মাঝের ওভারে ভাঙন

এরপর সাহিল গার্গ ও অধিনায়ক উৎকর্ষ শ্রীবাস্তব জুটি গড়েন। তবে সেই জুটি বেশি দূর এগোয়নি। পরে দলীয় ৫৭ রানে সাহিল আউট হন।

অন্যদিকে উৎকর্ষ ৩৯ রান করে ফেরেন। ফলে রানের গতি কমে যায়। একপর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র ১১৮ রানে ৬ উইকেট হারায়।

শেষদিকে প্রতিরোধ

তবে এরপর আদনিত ঝাম্বে লড়াই চালান। তিনি ৬৯ বলে অপরাজিত ৬৮ রান করেন। তাই যুক্তরাষ্ট্র ৫০ ওভারে ১৯৯ রান তুলতে পারে।

বাংলাদেশের হয়ে ইকবাল হোসেন ৩ উইকেট নেন। এছাড়া আল ফাহাদ ২টি উইকেট পান। একই সঙ্গে শাহরিয়ার আহমেদ ও রিজান হোসেনও ২টি করে উইকেট নেন।

লক্ষ্য তাড়ায় আত্মবিশ্বাস

লক্ষ্য তাড়ায় বাংলাদেশ ভালো শুরু করে। প্রথমে জাওয়াদ আবরার আক্রমণাত্মক খেলেন। তিনি ৪২ বলে ৪৭ রান করেন।

অন্য ওপেনার রিফাত বেগ ধৈর্য ধরে খেলেন। তিনি ৩২ রান যোগ করেন। ফলে দলের ভিত মজবুত হয়।

এরপর অধিনায়ক আজিজুল হাকিম ব্যাট হাতে নামেন। তিনি শান্তভাবে খেলেন। পরে ৮২ বলে ৬৪ রান করে আউট হন।

সহজ জয়

তখন জয়ের জন্য অল্প রান দরকার ছিল। তাই কালাম সিদ্দিকি দায়িত্ব নেন। তিনি অপরাজিত ৩০ রান করেন।

রিজান হোসেনও ভালো খেলেন। তিনি ২০ রান করে অপরাজিত থাকেন। ফলে বাংলাদেশ সহজেই জয় পায়।

সুপার সিক্সে বাংলাদেশ

এই জয়ে বাংলাদেশ ৩ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট পায়। এর আগে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছিল। তাই সেখান থেকে ১ পয়েন্ট আসে।

তবে ভারতের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে হার মানে বাংলাদেশ। তবুও দলটি সুপার সিক্সে উঠে। একই সঙ্গে ভারত ও নিউজিল্যান্ডও পরের পর্বে গেছে।

সব ম্যাচ হেরে যুক্তরাষ্ট্র প্লে-অফে নেমে গেছে।