২০২৬ সালের জাতীয় বাজেট দেশের অর্থনৈতিক দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই বাজেটে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সরকার উন্নয়ন ব্যয় বৃদ্ধি করলেও ব্যয়সংকোচন ও আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার বার্তা দিয়েছে।
নতুন করনীতিতে আয়কর কাঠামোয় কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা মধ্যবিত্ত ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। ভ্যাট ও আমদানি শুল্কে সমন্বয়ের ফলে কিছু পণ্যের দাম কমতে পারে, আবার কিছু ক্ষেত্রে মূল্য বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
এই বাজেটে কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বিস্তৃত করে নিম্নআয়ের মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, বাজেটের সফলতা নির্ভর করবে কার্যকর বাস্তবায়ন, কর আদায়ের দক্ষতা এবং বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নের ওপর। সঠিক নীতি প্রয়োগ হলে এটি টেকসই প্রবৃদ্ধি ও আর্থিক স্থিতিশীলতায় সহায়ক হতে পারে।
প্রধান আলোচ্য বিষয়:
১. নতুন করনীতি ও আয়কর কাঠামো
২. ভ্যাট ও আমদানি শুল্কে পরিবর্তন
৩. সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি
৪. উন্নয়ন বাজেট ও অবকাঠামো খাত
৫. মধ্যবিত্ত ও ব্যবসায়ীদের ওপর প্রভাব
FAQs (প্রায়শই জিজ্ঞেস করা কিছু প্রশ্ন):
প্রশ্ন ১: জাতীয় বাজেট কী?
উত্তর: জাতীয় বাজেট হলো সরকারের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের পরিকল্পনা।
প্রশ্ন ২: বাজেটে করনীতি পরিবর্তন কেন করা হয়?
উত্তর: রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য করনীতিতে পরিবর্তন আনা হয়।
প্রশ্ন ৩: বাজেট সাধারণ মানুষের জীবনে কীভাবে প্রভাব ফেলে?
উত্তর: পণ্যের দাম, করের হার ও সরকারি সেবার মাধ্যমে বাজেট সরাসরি মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলে।
অর্থনীতি, বাজেট বিশ্লেষণ ও আর্থিক নীতিমালা বিষয়ক আপডেট পেতে আমাদের পেজটি ফলো করুন।