বাংলাদেশ সরকার বোয়িংয়ের সঙ্গে প্রায় ৩০,০০০ থেকে ৩৫,০০০ কোটি টাকার একটি বড় চুক্তির পথে রয়েছে। এই চুক্তির আওতায় ১৪টি নতুন বোয়িং বিমান যুক্ত হবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বহর সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কী ধরনের বিমান কেনা হচ্ছে?
পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন বহরে যুক্ত হতে পারে—
▪️৮টি বোয়িং ৭৮৭–১০ ড্রিমলাইনার
▪️২টি বোয়িং ৭৮৭–৯
▪️৪টি বোয়িং ৭৩৭–৮ ম্যাক্স
বর্তমানে মূল্য ও সরবরাহ সময়সূচি নিয়ে বোয়িংয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে। বেসরকারি নির্মাতা এয়ারবাসের প্রস্তাবও বিবেচনায় নেওয়া হলেও বোয়িংয়ের দিকেই ঝুঁকছে বোর্ড।
অর্থ পরিশোধের পরিকল্পনা:
বিমানের মূল্য পরিশোধ ১০ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে বছরে আনুমানিক ১,৫০০ থেকে ২,০০০ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের মাধ্যমে সরকারের আর্থিক চাপ কম রাখার কৌশল নেওয়া হচ্ছে।
অর্থ পরিশোধের পরিকল্পনা
বিমানের মূল্য পরিশোধ ১০ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে বছরে আনুমানিক ১,৫০০ থেকে ২,০০০ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের মাধ্যমে সরকারের আর্থিক চাপ কম রাখার কৌশল নেওয়া হচ্ছে।
বাণিজ্যিক কৌশলের অংশ
এই বড় চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর একটি কৌশল হিসেবেও দেখা হচ্ছে। চলমান বাণিজ্য আলোচনার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি বাড়াতে এবং সম্ভাব্য ট্যারিফ সুবিধা পেতে আগ্রহী। ফলে বিমান ক্রয় সিদ্ধান্তটি কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ।
বিমান খাতে বড় অগ্রগতি
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণের এই উদ্যোগকে দেশের বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থায় একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন প্রজন্মের ড্রিমলাইনার ও ম্যাক্স সিরিজ যুক্ত হলে আন্তর্জাতিক রুটে সক্ষমতা, জ্বালানি দক্ষতা এবং যাত্রীসেবা—সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দেশের বিমান খাতে এর প্রভাব কী?
বাংলাদেশ ১৪টি বোয়িং বিমান কিনছে — এর ফলে:
▪️আন্তর্জাতিক মার্কেটে
প্রতিযোগিতা বাড়বে
▪️যাত্রীসেবা উন্নত হবে
▪️নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে
▪️দীর্ঘমেয়াদে রাজস্ব বৃদ্ধি পেতে পারে
▪️বিশেষজ্ঞরা এটিকে দেশের এভিয়েশন খাতের জন্য একটি বড় ধাপ হিসেবে দেখছেন।
FAQ
১. বাংলাদেশ কত টাকায় বোয়িং বিমান কিনছে?
প্রায় ৩০,০০০ থেকে ৩৫,০০০ কোটি টাকার চুক্তি হতে পারে।
২. মোট কতটি বিমান কেনা হবে?
পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৪টি বোয়িং বিমান কেনা হবে।
৩. কোন মডেলের বিমান কেনা হচ্ছে?
বোয়িং ৭৮৭–১০, ৭৮৭–৯ এবং ৭৩৭–৮ ম্যাক্স মডেল অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
৪. অর্থ পরিশোধের সময়সীমা কত?
১০ থেকে ২০ বছরের মধ্যে কিস্তিতে অর্থ পরিশোধের পরিকল্পনা রয়েছে।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আপডেট পেতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।