লাদাখের লেহ শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে, শ্রীনগর–লেহ জাতীয় সড়কের ওপর অবস্থিত রহস্যময় ম্যাগনেটিক হিল। চারপাশের ধূসর মরুভূমি আর রুক্ষ পাহাড়ি ভূদৃশ্যের মাঝেই লুকিয়ে আছে এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা, যা আজও অবাক করে পর্যটক ও বিজ্ঞানীদের।
এই স্থানে রাস্তার ওপর বড় করে আঁকা একটি হলুদ বক্স চোখে পড়ে। নির্দেশনা অনুযায়ী, সেখানে গাড়ি থামিয়ে ইঞ্জিন বন্ধ করে নিউট্রালে রাখলে, আশ্চর্যজনকভাবে গাড়িটি নিজে থেকেই ধীরে ধীরে উপরের দিকে উঠতে শুরু করে। অনেক ক্ষেত্রে এর গতি ঘণ্টায় প্রায় ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছে যায়। প্রথমবার এই দৃশ্য দেখলে পর্যটকদের বিস্ময় আর শিহরণ স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়।
স্থানীয়দের মধ্যে এই পাহাড়কে ঘিরে রয়েছে এক প্রাচীন লোককথা। লাদাখ অঞ্চলে বিশ্বাস করা হতো, এই পাহাড় দিয়েই একসময় স্বর্গের পথ চলে গিয়েছিল। পুণ্যবানদের অদৃশ্য শক্তিতে উপরের দিকে টেনে নেওয়া হতো, কিন্তু পাপীরা সেই টান অনুভব করত না। আধুনিক যুগে এই বিশ্বাস রূপ নিয়েছে তথাকথিত ‘ম্যাগনেটিক থিওরি’-তে, যেখানে অনেকে মনে করেন পাহাড়ের ভেতরে রয়েছে শক্তিশালী চৌম্বকীয় ক্ষেত্র।
তবে আধুনিক বিজ্ঞান এই রহস্যের ভিন্ন ব্যাখ্যা দেয়। বিজ্ঞানীদের মতে, ম্যাগনেটিক হিল আসলে কোনো চৌম্বকীয় পাহাড় নয়, বরং এটি একটি ‘গ্র্যাভিটি হিল’ (Gravity Hill)। পুরো ঘটনাটি একটি সূক্ষ্ম অপটিক্যাল ইলিউশন বা চোখের ভুল। আশপাশের পাহাড়, দিগন্তরেখা এবং রাস্তার ঢাল এমনভাবে বিন্যস্ত যে, আমাদের চোখ একটি উৎরাই পথকে চড়াই বলে মনে করে। বাস্তবে গাড়িটি মহাকর্ষের প্রভাবেই নিচের দিকেই গড়িয়ে যায়।
FAQ
প্রশ্ন: পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র কতদিন বন্ধ ছিল?
উত্তর: প্রায় এক মাস ধরে প্রথম ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ ছিল।
প্রশ্ন: বর্তমানে কত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে?
উত্তর: দুটি ইউনিট মিলিয়ে মোট ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।
প্রশ্ন: বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধের কারণ কী ছিল?
উত্তর: নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছিল।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও জাতীয় অবকাঠামো সংক্রান্ত সর্বশেষ সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।