রাত ২টার স্ক্রলিং:মস্তিষ্কের ডোপামিন ফাঁদ

রাত ২টার স্ক্রলিং: মস্তিষ্কের ডোপামিন ফাঁদ

আরেকটা ভিডিও দেখি

তারপর ঘুম।এভাবেই অনেক রাত ২টা বাজে। শরীর ক্লান্ত হলেও আঙুল থামে না। সোশ্যাল মিডিয়ার ছোট ছোট ভিডিও, নোটিফিকেশন আর নতুন কনটেন্ট মস্তিষ্কে ডোপামিনের ক্ষণিক উত্তেজনা তৈরি করে। ফলে ঘুম পেছাতে থাকে।

রাত জেগে স্ক্রলিং করলে শুধু ঘুম কমে না, মস্তিষ্ক অতিরিক্ত উদ্দীপনায় অভ্যস্ত হয়ে যায়। সকালে উঠে ক্লান্ত লাগে, মনোযোগ কমে যায়, সাধারণ কাজেও আগ্রহ থাকে না। কারণ মস্তিষ্ক দ্রুত উত্তেজনায় অভ্যস্ত হয়ে গেলে স্বাভাবিক কাজকে একঘেয়ে মনে হয়।

তরুণ বয়সে এই অভ্যাস সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর, কারণ এই সময়েই মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি ও মানসিক স্থিতি গড়ে ওঠে। ডোপামিনের এই চক্র ভাঙতে না পারলে পড়াশোনা ও বাস্তব জীবনের লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এই ফাঁদ থেকে বের হতে কিছু অভ্যাস জরুরি—

১. ঘুমের আগে নির্দিষ্ট সময়ের পর ইন্টারনেট বন্ধ রাখুন।
২. বিছানায় শুয়ে মোবাইল ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিন।
৩. নোটিফিকেশন অপ্রয়োজনীয় হলে বন্ধ রাখুন।
৪. ঘুমের আগে বই পড়া বা শান্ত কোনো কাজ করুন।
৫. মনে রাখুন, সাময়িক আনন্দের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করা ঠিক নয়।

ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ মানেই নিজের মস্তিষ্ককে সুরক্ষা দেওয়া।